বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ নভেম্বর ২০১৯

হাতে কলমে নারীদের গুরুত্ত্ব দিয়ে প্রশিক্ষণ সেবা প্রকল্প

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত ২০০৯ সালে শিল্প মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন । মত বিনিময় সভায় সরকারি চাকরির সংখ্যাল্পতা এবং  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি ইত্যাদি বিষয় প্রাধান্য পায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি ও বেসরকারি খাতে চাকরির সুযোগ সৃজনের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস করার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়কে অনুশাসন প্রদান করেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) ‘‘হাতে কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণে মহিলাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে বিটাকের কার্যক্রমসম্প্রসারণপূর্বকআত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচন’’শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১৯-০৩-২০০৯ তারিখের একনেক সভায় জুলাই ২০০৯ থেকে জুন ২০১৪ পর্যন্ত অনুমোদন লাভ করে।  প্রকল্পটি জনস্বার্থে সম্পৃক্ততার জন্য বাস্তবায়ন সাফল্যের বিবেচনায় ১ম, ২য় ও ৩য় বার সংশাধন করে জুন ২০১৯ পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পূর্বক ৭১৯৬.৬৪ লক্ষ টাকা ব্যয় সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন করা হয়। সে অনুযায়ী ৭১৯৬.৬৪ লক্ষ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে জুন/২০১৯ পর্যন্ত ৭১৪৪.৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে ।  ২৪৮৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রশিক্ষণের লক্ষমাত্রার বিপরীতে জনু/২০১৯ পর্যন্ত ২৪৮৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের মধ্যমেয়াদি মূল্যায়নের জন্য গঠিত আন্ত:মন্ত্রণালয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, ‘‘হাতে কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণে মহিলাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে বিটাক এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ পূর্বক আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন’’ শীর্ষক প্রকল্পটি দক্ষ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, জেন্ডার ও আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। এই ধরণের সুবিধা ভোগীর সংখ্যা সারাদেশে এখনো প্রচুর বিদ্যমান আছে। তাই প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই ৫(পাঁচ) বছরের জন্য ফেজ-২ গ্রহণ করার জন্য সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরকারের নির্বাচনী ইশতিহার ২০১৮ (প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কারিগরি দক্ষ জনবল /কর্মসংস্থান, নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮ এর ধারা ৩.১১ এবং এস ডিজি ধারা ১.৮ এবং জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এর ক্রমিক নম্বর ২.৩, ৩.৩,১৩.৪ ও ১৫.১) বাস্তবায়ন  এবং ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে  উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে গড়ে তোলা এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের জন্য দেশে শিল্পায়নের একটি মজবুত ভিত্তি প্রতিষ্ঠাসহ সমাজের পশ্চাদপদ অঞ্চলের বেকার যুবক ও নারীদের কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল সৃষ্টি করে  জাতীয় জিডিপি তে অবদান দ্বিগুণে উন্নীত করা যাবে।

 

সেপা প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ

  • সমাজের দরিদ্র, স্বল্প শিক্ষিত, পিছিয়ে পড়া যুবসম্প্রদায়কে কারিগরি প্রশিক্ষণের জন্য চিহ্নিত/বাছাই করা;
  • বেকার যুব সমাজকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনবলে রূপান্তর করা;
  • প্রশিক্ষিত এ জনবলকে শিল্পখাতের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং তাদেরকে কর্মে নিয়োজিত করা;
  • নারী উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে যাবতীয় সহায়তা প্রদান;
  • সরকারের  নিবাচনী ইশতিহার ২০১৮ বাস্তবায়ন করন ;
  • ভিশন ২০২১, ২০৪১ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনে ব্যাপক সফলতা অর্জনে সফলতা অর্জনে সহায়তা প্রদান করা।


Share with :

Facebook Facebook